ফেলানি হত্যার প্রায় ৪বছর শেষ কিন্তু আজও আমরা পাইনি আমাদের বোন "ফেলানি" হত্যার বিচার।
- ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানি আজ সেজেছে নতুন রূপে, এই সাজ নিয়ে প্রত্যেক বোনেরই স্বপ্ন থাকে। আর সাজবে নাই বা কেন আজ যে তার বিয়ে ! তার খালাত ভাই অপেক্ষা করছে নব বধুর সাজে ফেলানি কে দেখতে। কিন্তু তার এই অপক্ষা আজও শেষ হয়নি। এই সাজই কি ছিল ফেলানির অন্তিম সাজ ? সকাল ১০টা ফেলানি হাঁটছে বধুবেশে। সামনে কাঁটাতার, তাতে কোন সমস্যা নেই ফেলানির বাবা নুরুল ইসলাম দালালদের (BSF যাদের নিয়োগ করেছে) টাকা দিয়ে সীমান্ত পার হয়ার উড়ো টিকিট পেয়ে গেছেন। এই টিকিট যে পরপারের টিকিট সেটা কি আধোও ফেলানি জানতো ? নুরুল ইসলাম মই কাঁটাতারে ঠেকিয়েছে, তিনি উঠে এসেছেন মইয়ের মাথায়। নিচে হাতদিয়ে টেনে উপরে তুলছেন ফেলানিকে। মৃত্যু বুঝি ফেলানিকে টানছে। হটাৎ কতগুলো পশু চলে এসেছে কাঁটাতারের কাছে। "অমিয় ঘোষ" ৬ফিট দূর থেকে গুলি করলো ফেলানির বুকে। বাবার হাত থেকে খসে পড়েছে ফেলানির শীতল হাত। হাতে চলে এসেছে ফেলানির আরেকটি নতুন টিকিট, "মৃত্যুপুরির"। কিন্তু দুনিয়ার মায়া যে তাকে ছাড়তে চাচ্ছে না ! ঝুলন্ত কাঁটাতারে ৪ ঘন্টা বেঁচে ছিল ফেলানি। পানি চাইছিল বারংবার, কিন্তু তাকে যে কেউ পানি দেয়নি !! এ মৃত্যু যে কি ভয়াঙ্কর ছিল তা এলাকা বাসী প্রত্যক্ষ করেছে। প্রাণ নিয়ে পালায় নুরুল ইসলাম। কিন্তু এখনও ঝুলে আছে আমাদের বোন ফেলানি। এখনও ঝুলে আছে মানবতা। এখনও ঝুলে আছে হিংস্রতার কালো রক্ত।
![]() |
| গুলিবিদ্ধ ফেলানি |
কিন্তু
সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল
সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় খুনের মামলার আসামী অমিয় ঘোষকে
নির্দোষ বলে রায় দেয়। ফেলানি হত্যা মামলার এ রায়ের পর পরই বিক্ষুব্ধ
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বাংলাদেশের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে। সে
পটভূমিতেই মামলাটি আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ। - See more
at: http://www.dhakatimes24.com/2014/01/07/11114#sthash.Tp168uZm.dpuf
কিন্তু
সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল
সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় খুনের মামলার আসামী অমিয় ঘোষকে
নির্দোষ বলে রায় দেয়। ফেলানি হত্যা মামলার এ রায়ের পর পরই বিক্ষুব্ধ
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বাংলাদেশের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে। সে
পটভূমিতেই মামলাটি আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ। - See more
at: http://www.dhakatimes24.com/2014/01/07/11114#sthash.Tp168uZm.dpuf
কিন্তু
সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল
সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় খুনের মামলার আসামী অমিয় ঘোষকে
নির্দোষ বলে রায় দেয়। ফেলানি হত্যা মামলার এ রায়ের পর পরই বিক্ষুব্ধ
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বাংলাদেশের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে। সে
পটভূমিতেই মামলাটি আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ। - See more
at: http://www.dhakatimes24.com/2014/01/07/11114#sthash.Tp168uZm.dpuf
কিন্তু
সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল
সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় খুনের মামলার আসামী অমিয় ঘোষকে
নির্দোষ বলে রায় দেয়। ফেলানি হত্যা মামলার এ রায়ের পর পরই বিক্ষুব্ধ
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বাংলাদেশের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে। সে
পটভূমিতেই মামলাটি আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ। - See more
at: http://www.dhakatimes24.com/2014/01/07/11114#sthash.Tp168uZm.dpuf
কিন্তু
সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল
সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় খুনের মামলার আসামী অমিয় ঘোষকে
নির্দোষ বলে রায় দেয়। ফেলানি হত্যা মামলার এ রায়ের পর পরই বিক্ষুব্ধ
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বাংলাদেশের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে। সে
পটভূমিতেই মামলাটি আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ। - See more
at: http://www.dhakatimes24.com/2014/01/07/11114#sthash.Tp168uZm.dpuf
- এ তো একটি সত্য আরও অনেক সত্য আছে যা আমাদের নজর এড়িয়ে গেছে।গত ১২ বছরে সীমান্তে শহীদ হয়েছে আমাদের অনেক নিরীহ ভাই।
- **গত ১২ বছরের সীমান্ত ক্রাইমের একটি চিত্র দেখুনঃ
২০০০- হত্যা ৩১ জন, গুলিতে আহত ১৭, অপহৃত ১০৬।
২০০১- হত্যা ৮৪ জন, আহত ২৪৪, অপহৃত ৫৫।
২০০২- হত্যা ৯৪ জন, আহত ৫৪, অপহৃত ১১৮।
২০০৩- হত্যা ২৭ জন, আহত ৮২, অপহৃত ১২০
২০০৪- হত্যা ৭২ জন , আহত ৩৫, অপহৃত ১৭।
২০০৫- হত্যা ৮৮ জন, আহত ৬৬, অপহৃত ৭৮।
২০০৬- হত্যা ১৫৫ জন, আহত ১৩৩, অপহৃত১৬০।
২০০৭- হত্যা ১১৮ জন, আহত ৮২, অপহৃত ৯২।
২০০৮- হত্যা ৬১ জন, আহত ৪৭, অপহৃত ৮১।
২০০৯- হত্যা ৯৮ জন, আহত ৭৭, অপহৃত ২৫।
২০১০- হত্যা ৭৪ জন, আহত ৮৩, অপহৃত ৪৩।
২০১১ হত্যা ৩১ জন, আহত ৫৫, অপহৃত ৬।
২০১২-হত্যা ৩৮ জন, আহত ১০০, অপহৃত ৭২।
২০১৩(আগস্ট-সেপ্টেম্বর)- হত্যা ২৫ জন, আহত ৫৭, অপহৃত ৬৮।
মোটঃ প্রায় তের বছরে মোট নিহতের সংখ্যা ১০৬৫ জন, আহতের সংখ্যা ১১৫৩ জন, অপহৃত ১১৭৭ জন।
(সূত্রঃ অধিকার)
*গরু চোরাচালানকারীদের অবৈধ অনুপ্রবেশ ।
*বাঙালীদের ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ।
*অস্ত্র/মাদকদ্রব্য চোরাচালান।
*বাণিজ্যিক পণ্য পাচার।
উপরের চারটি কারন যদি আমরা লক্ষ্য করি তাহলে দেখব, কাজ গুলোতে উভয় দেশের নাগরীকদের সামঞ্জস্যতা আছে। আর এই জন্য পৃথিবীর কোন আইনে গুলি করে হত্যার নিয়ম নেই। যেখনে কাজগুলোর সাথে ভারতের নাগরিকরাও জড়িত আমরা সেখানে তাদের মৃত্যুর খবর শোনার কথা কিন্তু তা আধোও পাওয়া যায়নি, তাই বলতে পারি বিষয়গুলো পরিকল্পনা মাফিক ঘটা।
*** সীমান্ত হত্যা নিয়ে এত লেখা লেখির পর ক্রাইম কিছুতেই কমছে না, এগুলো আমাদের বিবেককে ধ্বংস করলেও ক্ষমতাসীনরা কর্ণপাত করছে না। ঘাতকরা দিন দিন আরও হিংস্র হয়ে উঠছে, আর তার ফলাফল ভোগ করছে কৃষক শ্রেণী, সীমান্তে গৃহহীন পরিবার গুলি, যাদেরকে বলির পাঁঠা হিসেবে ব্যবহার করছে ক্ষমতাসীনরা। না পারতে বাংলাদেশের চরম ব্যার্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বছরে একবার ভারতের সাথে চা খাওয়ার সৌজন্য সাক্ষাত করেন । ‘’ ভালো আছি , ভালো থাকবেন , আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখবেন ‘’ – এই জাতীয় কথাবার্তার মাধ্যমে তাদের সফল (?) সাক্ষাৎ সম্পন্ন হয় ।
আমাদের আকাঙ্ক্ষাঃ
যদিও আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষাতে সরকারের কিছু আসে যায় না তবুও বলছি সীমান্ত হত্যা বন্ধে সরকারের কাজ করা উচিত।
![]() |
| কিশোরী ফেলানির দৃষ্টি |
একটা রাইফেল, একটা সীমান্ত।
একটা ভিনদেশী বুলেটের আততায়ী অনুপ্রবেশ।
কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছে কিশোরীর লাশ!
ধর্ষিত পতাকায় আমার অক্ষম বর্ধিত দীর্ঘশ্বাস
ফেলানী -
আমার ভৌগলিক সীমান্তে লুণ্ঠিত জাতীয়তা।
কাঁটাতারে গেঁথে রাখা ভণ্ডামির মানবতা।
ফেলানী -
আমার কুৎসিত মৈত্রী সমৃদ্ধির বেশ্যা প্রবৃত্তি।
ভাড়ামির বন্ধুতার দায় দণ্ডিত জাতির পতাকা।
তবু জেনে রাখিস ফেলানী, বন্ধুত্ব করেছিলাম ভালোবাসায়।
একাত্তরের অভিধান আমি এখনো বেঁচেনি।
"আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,
আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতর-
এ দেশ কি ভুলে গেছে সেই দু:স্বপ্নের রাত,
সেই রক্তাক্ত সময়?
রক্তের কাফনে মোড়া কুকুরে খেয়েছে যারে,
শকুনে খেয়েছে যারে; সে আমার ভাই, সে আমার মা,
সে আমার প্রিয়তম পিতা।
স্বাধীনতা -
এ কি তবে নষ্ট জন্ম?
এ কি তবে পিতাহীন জননীর লজ্জার ফসল?
জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরনো শকুন!
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে
মাটিতে লেগে আছে রক্তের দাগ
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে
বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে
......................................"
ফেলানী আমার -
তোর জীবনের দামে চুপ মেরে থাকে দেশের সম্ভ্রম!
আমিও ওদের মতো নির্লজ্জ জনগণ।
আমায় ক্ষমা করিস ফেলানী!
১৪ কোটি জনগণ তোকে বাঁচাতে পারেনি!
শহরতলী'র "ফেলানী'২০১১।
কথা: গালিব সুর: মিশু
আবৃত্তি: সোহাগ
অ্যালবাম: হাতিয়ার
মূল কবিতা: রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
কিন্তু
সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল
সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় খুনের মামলার আসামী অমিয় ঘোষকে
নির্দোষ বলে রায় দেয়। ফেলানি হত্যা মামলার এ রায়ের পর পরই বিক্ষুব্ধ
প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বাংলাদেশের সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে। সে
পটভূমিতেই মামলাটি আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসএফ। - See more
at: http://www.dhakatimes24.com/2014/01/07/11114#sthash.Tp168uZm.dpuf



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন