মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৫

খুছরো বচন.... (ইউরোপীয় রেনেসাঁ, মার্কসিজম, এক্সিস্টেনসিয়ালিজম এবং নতুন সম্ভাবনা)

মধ্যযুগীয় বর্বরতার কথা আমরা কে’না শুনেছি কিন্তু এই বর্বরচিত অধ্যায়টি কোন সমাজের প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল তা সম্পর্কে আমরা আদৌ কনসাস না। মধ্যযুগে আরবে/মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের দিকে আমরা যদি তাকাই তাহলে, বলতে হবে মুসলিমদের স্বর্ণযুগ ছিল মধ্যযুগ। যে সময়টাতে তারা জ্ঞান বিজ্ঞানে সবচেয়ে বেশি উৎকর্ষতা সাধন করছিল। গির্জার বর্বরতাকে পুঁজি করে মধ্যযুগকে ঢালাও ভাবে বর্বর যুগ বলে, মুসলিমদের উৎকর্ষতাকে ঢাকার অভিপ্রায় ইউরোপীয় বুদ্ধিবিত্তিক সন্ত্রাস ছাড়া আর কিছুই না। গির্জার ক্ষমতায়নের সময়ে মানুষের আত্মার অবদমনে এবং জ্ঞান বিজ্ঞানের ক্রমহ্রাসমান ধারার রুটকে সচল করতে ইউরোপীয় দার্শনিকদের জাগরণ, গির্জার বিরুদ্ধে আন্দোলন, ধর্মের গণ্ডি টপকিয়ে নিজেকে ঈশ্বরের স্থানে উপস্থাপনেই রেনেসাঁর যাত্রা। মধ্যযুগে যখন গীর্যার অর্থ-সম্পদ এবং ক্ষমতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছিল, তখন বিষয়টি গীর্যার নেতৃবৃন্দের মাঝে রাজনৈতিক ও চারিত্রিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল৷ একারণেই খ্রিষ্টিয় পনের শতকে গীর্যার সংস্কার একরকম অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল৷

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৫

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৫

মানবতার স্বপ্নদোষ


বাকস্বাধীনতা, মানবতাবাদ, গনতন্ত্রের ফেরিওয়ালা USA, UK কে যাদের মানবতার স্বপ্নদ্রষ্টা মনে হয়. তাদের এই স্বপ্ন নিঁখাদ স্বপ্নদোষ (অন্য কিছু মিন করিনি) বৈ অন্য কিছু নয়. অনধিকার চর্চা করতে করতে মানবাধিকারের সংজ্ঞাটাই তাদের কাছে অধরা. গৃহপালিত মানবাধিকারের হোতারা আজ মেতে উঠেছে গনহত্যার খেলায়. সম্প্রতি শার্লি এবদোয় (Charlie Hebdo Officiel) হামলার প্রতিবাদে আমেরিকা, ইসরাইল, ফ্রান্স, ব্রিটেন মুসলিম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে. মুসলিমদের বিশ্ববাসির কাছে সন্ত্রাসী জাতি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে.

সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৫

ফেলানি-ভৌগলিক সীমান্তে লুণ্ঠিত জাতীয়তা


ফেলানি হত্যার প্রায় ৪বছর শেষ কিন্তু আজও আমরা পাইনি আমাদের বোন "ফেলানি" হত্যার বিচার।
  • ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফেলানি আজ সেজেছে নতুন রূপে, এই সাজ নিয়ে প্রত্যেক বোনেরই স্বপ্ন থাকে। আর সাজবে নাই বা কেন আজ যে তার বিয়ে ! তার খালাত ভাই অপেক্ষা করছে নব বধুর সাজে ফেলানি কে দেখতে। কিন্তু তার এই অপক্ষা আজও শেষ হয়নি।  এই সাজই কি ছিল ফেলানির অন্তিম সাজ  ? সকাল ১০টা ফেলানি হাঁটছে বধুবেশে।

রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৫

ঐ ললনাকে আজও ভুলতে পারিনি !!


=> স্বপ্নের ঘোর না কাটতেই,হুট করে বাড়ি চলে আসা,মা’র আপ্রায়নে মুগ্ধ,শুনেছি শ্বশুর বাড়িতে নাকি এই রকম আপ্রায়ন হয়। ভাবছি আজকের মতো এত আধুরে খাওয়া খুব কমই হয় [মায়ের পাশে বসে খাওয়া সত্যিই অসাধারন],রহস্যটা খুজছি...! কিছুক্ষন পরই সেই রহস্যের অবসান হল।

রক্তের প্রত্যাঘাত

শুষ্কতায় নেতিয়ে গেছে বিবেকের স্নিগ্ধতা ।
স্নেহশীল হাত আজ বিবর্তিত,
লৌহ মানবের লোহা আজ বন্দুর ।
শকুনের হাতের মশাল,
দাম্ভিকের হুঙ্কার...পরাজয়ের গ্লানি আজ ঐক্যবদ্ধ ।

বাবার প্রতি খোলা চিঠি...!

 .....................বাবা !!!
শতবর্ষের শৃঙ্খলিত আশার নবমৃত্যু তোমার আত্মিক ব্যঞ্জনা মাত্র।হৃদয় স্খলিত রিক্তেরবেদন তাঁর প্রতিদান স্বরূপ।শৃঙ্খল আত্মাকে উশৃঙ্খল করার প্রয়াসমুক্ত কলঙ্কিত ছোঁয়ায় বিরক্ত করবনা ।শুধু শুধু অধিকার রচনায় তোমার শ্রবণাধিকার লঙ্গন করতে চাই না। শুধু এটুকুই জানি লিকলিকে বেড়ে উঠা শারীরিক ব্যঞ্জনায় তোমার আর্থিক শক্তিকে আজ বড়ই মিস করছি।স্তব্ধতায় স্পন্ধিত হচ্ছি প্রতিটি মুহূর্ত,পেতে চাইলাম তোমার নিবিড় নৈকট্য।এটা বোধকরি সহজাত।

ধর্ষণ এবং সাংস্কৃতিক আগ্রাসন

বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে আমরা নারী নির্যাতনের যে হার দেখতে পাই তা সমাজের উন্নতির জন্য কতটুকু বাঁধা আমরা সেটাই আগে ভাবি, কিন্তু কজন ভাবে সমাজের এই অসঙ্গতির কারণ কি ? আমরা যখন মিডিয়াতে নারী নির্যাতনের চিত্র দেখতে পাই তখন খুব ব্যথা অনুভব করি। কিন্তু যখন নিজের ছেলে কিংবা কোন আত্মীয় এর সাথে সম্পৃক্ত থাকে তখন কি করি ? তাকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দেই। এটাই নীতি, মজ্জায় মজ্জায় ঢুকে গেছে স্বজনপ্রীতি, আত্মপূজা !

শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০১৫

বস্তু এবং বুদ্ধিবৃত্তি

জন্ম পক্রিয়ায় প্রাণীয় সত্ত্বাগুলো যান্ত্রিক প্রোডাক্টের অনুরূপেই পৃথিবীকে জানান দেয় তার উপস্থিতি। সত্ত্বাকে মানবরূপে গড়ে তুলতে অনেকটা সাহায্য করে সামাজিকীকরণ। প্রকিৃতির সত্ত্বাগুলোর মধ্যে পার্থক্য করতে বস্তুগত প্রক্রিয়া থেকে জ্ঞানগত কাঠামোকে অধিক মূল্যায়ন করেই সত্ত্বার উপর গুন আরোপ করা হয়। তাকে ভাগ করা হয় বিভিন্ন শ্রেণীতে যেমনঃ মনুষ্যসত্ত্বা, পশুসত্ত্বা ইত্যাদি। মানুষ যখন তার ওরিজিনকে অস্বীকার করে কেবলমাত্র বস্তুগত সত্ত্বায় নিজেকে রূপান্তরিত করে তখন তার মধ্যে আর মনুষ্যস্পৃহা থাকে না।